স্পট মার্কেটে যাচ্ছে গ্রামীণফোন

টেলিযোগাযোগ খাতের বহুজাতিক কোম্পানি গ্রামীণফোন লিমিটেডের শেয়ার আগামী ১ ও ২ মার্চ স্পট মার্কেটে লেনদেন হবে।

এ সময় কোম্পানিটির ব্লক মার্কেটের শেয়ারও স্পট সেটলমেন্ট সাইকেলের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হবে। পরে আগামী ৩ মার্চ রেকর্ড ডেট-সংক্রান্ত কারণে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্যানুসারে, সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য মোট ২১৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল কোম্পানিটির পর্ষদ। এর মধ্যে ১১০ শতাংশ অন্তর্বর্তী নগদ ও ১০৫ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে গ্রামীণফোনের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২১ টাকা ৯০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৬ টাকা ৮৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪১ টাকা ৪৯ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের মোট ৩৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এর মধ্যে ১৭০ শতাংশ চূড়ান্ত ও ১৬০ শতাংশ অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে গ্রামীণফোনের ইপিএস হয়েছে ২৬ টাকা ৮৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৪ টাকা ৪৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৭ টাকা ৯৫ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২৫ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে গ্রামীণফোনের ইপিএস হয়েছে ২৪ টাকা ৪৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২২ টাকা ২৯ পয়সায়। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৯ টাকা ৩৯ পয়সায়।

গ্রামীণফোনের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএএ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস পিএলসি (সিআরআইএসএল)।

২০০৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত গ্রামীণফোনের অনুমোদিত মূলধন ৪ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৩৫০ কোটি ৩০ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৪ হাজার ৩১৭ কোটি ১৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৩৫ কোটি ৩ লাখ ২২। এর ৯০ শতাংশই রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৬ দশমিক ৬৮, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক ৬৭ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২ দশমিক ৬৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

আরও